ভুলে যাওয়া BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করার কৌসল

bios_itlivesupportbd.wordpress.comBIOS অর্থ হল Basic Input Output System। BIOS –এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয় । পিসি Boot ( বুট ) করা এবং সিপিইউ কতৃক বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একসেস করার জন্য বায়োস ব্যবহার করা হয়।

বায়োসে প্রোগ্রাম কোডিং করা থাকে যা দ্বারা মৌলিক এবং লো -লেবেলের ফাংশনগুলো সম্পাদন করা হয় । এটিও পড়ুন -পিসিতে ড্রাইভার install করুন CD ছারাই কিন্তু এখন কথা হল কোন কারনে আমাদের BIOS সেটিং পরিবর্তন করতে হয়। তখন দেখা গেল আপনার BIOS পাসওয়ার্ড প্রটেক্টটেড এমনকি আপনার BIOS পাসওয়ার্ড কি তাও কাজের চাপে ভুলে গেছেন। তখন করবেন কি ? হতাশ হয়ে আপনার কম্পিউটার সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার কোন দরকার নেই করন আপনি নিজে নিজেই আপনার PC বা Laptop এর পাসওয়ার্ড রিমুভ করে নিতে পারেন।

কিভাবে BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ করবেন :

প্রথমে CPU খুলুন

এরপর motherboard টি লক্ষ্য করুন

এরপর Battery(3V) খুলে ফেলুন

তারপর মাদারবোর্ড থেকে Battery(3V) টি খুলুন এবং ৩০ সেকেন্ড অপেক্ষা করে আবার Battery(3V) লাগিয়ে দিন। এরপর আপনার কম্পিউটারটি চালিয়ে দেখুন। আপনার সমস্যা সমাধান হবে। তবু সমস্যা হলে নিচের পদ্ধতি অবলম্বন করুন। আগের কম্পিউটারে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যেত। কিন্তু এখনকার পিসি তে মাদারবোর্ড এর সাথে লাগানো ব্যাটারী খুলে ফেললে BIOS এর পাসওয়ার্ড রিমুভ হয় না। এর কারন এখনকার পিসি তে BIOS ব্যাটারি এর পাশে CLR_CMOS নামে একটি জাম্পার থাকে এটি খুলে লাগালে আপনার পিসি এর BIOS পাসওয়ার্ড রিমুভ হয়ে যাবে।

সূত্রঃ Bdnewsdesk

কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়ার কারন ও সমাধান

images_itlivesupportbd.wordpress.comঅনেক সময় দেখা যায় শখের কম্পিউটার টি অদ্ভুত আচরণ করে। কিছুক্ষণ চলার পর রিস্টার্ট হয় অথবা অপারেটিং সিস্টেম চালু হবার ঠিক পূর্বে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তখন নিজের কাছেই খুব বিরক্ত লাগে।

 

১.অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারনে

কম্পিউটার এর অভ্যন্তরীণ অতিরিক্ত তাপমাত্রা কম্পিউটার রিস্টার্ট হওয়ার অন্যতম কারন। এতে প্রসসেসর অতিরিক্ত তাপমাত্রা অপসারণ করতে পারে না। প্রসসেসর সাধারনত একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পর তার কার্যক্ষমতা বন্ধ করে ফেলে। ফলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। তাই কম্পিউটারের আশে পাশের জায়গা খোলা রাখুন যাতে অতিরিক্ত গরম হাওয়া বের হয়ে যেতে পারে। আপনি আপনার পিসিটিতে অতিরিক্ত একটি পাখাও ব্যাবহার করতে পারেন।

২.অপারেটিং সিস্টেম এর কারনে

অনেক সময় অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন কারনে ক্রাশ করে ফলে অপারেটিং সিস্টেম চালু হতে পারে না এবং পুনরায় চালু হওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়াও অনেক জটিল সমস্যা থেকেও অপারেটিং সিস্টেম রিস্টার্ট হতে পারে। এটা অপারেটিং সিস্টেম এ ডিফল্ট হিসাবে দেওয়া থাকে। আপনি চাইলে এটা বন্ধ করতে পারেন। এজন্য যেটা করতে হবে, মাই কম্পিউটার এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Advanced Tab এ আসুন, এখানে Start up and Recovery এর নিচে Setting এ ক্লিক করুন। এখানে System failure এর অধিনে Automatic Restart Option টি আনচেক করুন।

৩.র‌্যামের কারনে

র‌্যামের কারনেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে ধরুন আপনি যে র‌্যাম কম্পিউটার এ লাগিয়েছেন সেটি আপনার মাদারবোর্ড এ সাপোর্ট করছে না অথবা স্পীড ম্যাচ হচ্ছে না কিংবা র‌্যামের চিপ নষ্ট থাকতে পারে এসব কারনে কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে আবার অনেক সময় বেশি র‌্যামের লাগালেও এমনটি হতে পারে।

৪.হার্ডডিস্ক এর কারনে

এটা একটা কমন সমস্যা। হার্ডডিস্ক এ ব্যাড সেক্টর পরলে অথবা সেখান থেকে ডেটা রিড করার চেষ্টা করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট অথবা হ্যং হয়ে যেতে পারে এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে স্ক্যানডিস্ক দিয়ে স্ক্যান করে ব্যাড সেক্টর ফিক্স করা যায় এতে কাজ না হলে হার্ডডিস্ক পরিবর্তন করা যেতে পারে হার্ডডিস্ক অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হতে পারে অনেক সময় হার্ডডিস্ক এ এরর থাকে এর কারনেও রিস্টার্ট সমস্যা হতে পারে আপনি ড্রাইভ এর উপর রাইট ক্লিক করে এরর চেক করতে পারেন অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে।

৫.ইউএসবি ডিভাইস এর কারনে

অনেক সময় ইউএসবি ডিভাইস কম্পিউটার এ যুক্ত করলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয় তবে বেসিরভাগ সময় অপারেটিং সিস্টেম এই কাজ করার আগে আপনার কাছে অনুমতি চাইবে তবে আপনার ওই ডিভাইস টি যদি সমস্যা যুক্ত হয় তাহলে কম্পিউটার বার বার রিস্টার্ট হবে।

৬.হার্ডওয়্যারের কারনে

বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সঠিক ভাবে কনেকটেড না থাকলে বা লুস কনেকটেড থাকলে বা সমস্যা যুক্ত থাকলে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। হার্ডওয়্যার এসেম্বল করার সময় ভাল ভাবে চেক করে নেয়া ভাল।

৭.সফটওয়্যার ও গেইমস এর কারনে

অনেক সময় বিভিন্ন সফটওয়্যার ও গেইম ইন্সটল করার সময় কম্পিউটার অদ্ভুত আচরন করে অথবা বার বার রিস্টার্ট হয়ে যায় তাই এই ধরনের সফটওয়্যার ও গেইম ইন্সটল করা থেকে বিরত থাকুন ইন্সটল করার পর যদি সমস্যা দেখা দেয় তাহলে দ্রুত আনইন্সটল করুন।

৮.ভাইরাস এর কারনে

বিভিন্ন ভাইরাস এর কারনেও কম্পিউটার অনেক সময় রিস্টার্ট হয় তাই একটা ভাল এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করুন এবং নিয়মিত হালনাগাদ করুন শিডিউল অনুযায়ী পুরো কম্পিউটার টি নিয়মিত স্কয়্যান করুন।

সূত্রঃ Bdnewsdesk

কম্পিউটারের গতি পুনরুদ্ধারে ১০ কাজ

3956ab0aed6b1da23e6db884738e37bf_itlivesupportbd.wordpress.comপার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি ব্যবহার করার এক পর্যায়ে তার গতি কমতে থাকে। এ লেখায় থাকছে পিসির গতি পুনরুদ্ধারের ১০টি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।

১. ক্লিনআপ প্রোগ্রাম
কম্পিউটারে জমা হওয়া অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো পিসির গতি কমিয়ে দেয়। এ গতি ঠিক করতে পারে ক্লিনআপ প্রোগ্রাম। এক্ষেত্রে ‘সিসিক্লিনার’ হতে পারে একটি ভালো সমাধান।
২. অপ্রয়োজনীয় অ্যানিমেশন ও ভিজুয়াল এফেক্ট দূর করুন
খুব দ্রুতগতির কম্পিউটার ছাড়া অ্যানিমেশন ও ভিজুয়াল এফেক্ট গতি কিছুটা কমিয়ে দেয়। আর এ গতি ঠিক করতে এসব বিষয় বন্ধ করে দেওয়াই ভালো। কারণ আকর্ষণীয় থিম ও অ্যানিমেশন আপনার পিসির গতি কমিয়ে দেবে।
৩. আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন
কম্পিউটারের অ্যান্টিভাইরাস নিয়মিত আপডেট করুন। এরপর নিয়মিত ভাইরাস স্ক্যান চালান। অন্যথায় ভাইরাসের কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে।
৪. বাড়তি র‌্যাম লাগান
অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর একটি উপায় হলো বাড়তি র‌্যাম যোগ করা। এতে প্রায় সব কম্পিউটারের গতিই বেড়ে যায়।
৫. সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ
হার্ড ড্রাইভের গতির কারণে কম্পিউটারের গতি কমে যেতে পারে। এ সমস্যার সমাধানে কম্পিউটারে সাধারণ হার্ড ড্রাইভের বদলে লাগান সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ। এটি কম্পিউটার চালু হওয়ার গতিও বাড়াবে।
৬. স্টার্ট আপ সফটওয়্যার কমান
কম্পিউটার স্টার্ট করার সময় যেসব সফটওয়্যার চালু হয় সেগুলো লক্ষ্য করুন। এখানে বেশি সফটওয়্যার থাকলে তা কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেবে। এজন্য স্টার্ট মেনু থেকে “msconfig” টাইপ করুন। এরপর “Startup”-এ যান। এখানেই কম্পিউটার চালুর সময়কার সফটওয়্যারগুলো পাবেন। তবে এখান থেকে যে কোনো কিছু ডিলিট করার আগে ভালোভাবে জেনে নিন। অন্যথায় তা কম্পিউটারের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
৭. ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল করুন
আপনার কম্পিউটারে যদি অসংখ্য সফটওয়্যার ও ভাইরাসের ছড়াছড়ি থাকে তাহলে তার সব সফটওয়্যার নতুন করে ইনস্টল করাই ভালো। এজন্য উইন্ডোজের ইনস্টলের সিডি বা ইউএসবি স্টিক সংগ্রহ করুন। এরপর নির্দেশনা অনুযায়ী ইনস্টল করুন। সম্ভব হলে হার্ড ডিস্কের একটি পার্টিশন সম্পূর্ণ ফরম্যাট করে নতুন করে সেখানে উইন্ডোজ ইনস্টল করুন।
৮. ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার করুন
আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজারে যদি নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করেন তাহলে এর ক্যাশে বহু ফাইল জমা হতে পারে। এ ফাইলগুলো দূর করার জন্য সেটিংস মেনু থেকে হিস্টোরিতে যান। এরপর ক্লিয়ার হিস্টোরিতে ক্লিক করুন। সেটিংসটি বিভিন্ন ব্রাউজারে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে একটু খেয়াল করলেই তা খুঁজে পাবেন।
৯. সার্চ ইনডেস্ক রিফ্রেশ
কম্পিউটারে সংরক্ষিত বিভিন্ন ফাইল খুঁজে বের করার সময় কমাতে সার্চ ইনডেস্ক রিফ্রেশ করা প্রয়োজন। এজন্য উইন্ডোজের ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার নিয়মিত (সাধারণ ব্যবহারে সপ্তাহে একবার) চালাতে হবে।
১০. রিস্টার্ট করুন
আপনার কম্পিউটার যদি দীর্ঘক্ষণ একনাগাড়ে চলে তাহলে গতি কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে সমাধান হলো রিস্টার্ট করা।

সূত্রঃ দেশ বিদেশে

ইন্টারনেট ডট অর্গ দিয়ে যেভাবে বিনা খরচে ইন্টারনেট

cb5b0bf77960746d61e758bbaf6c6b06_itlivesupportbd.wordpress.comঢাকা, ১০ মে- ইন্টারনেট ডট ওআরজি অ্যাপ্লিকেশন এখন গুগলের প্লে স্টোরে রয়েছে। বাংলাদেশে আজ রবিবার থেকে চালু হয়েছে ফেসবুকের ইন্টারনেট ডট অর্গ নামের একটি সেবা। এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ উল্লেখ করেছে, আজ মোবাইল অপারেটর রবি ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে নিয়ে বাংলাদেশে এই সেবা চালু করা হয়েছে। ইন্টারনেট ডট ওআরজি সেবার মাধ্যমে স্বাস্থ্য, খবর, চাকরি ও ই-সরকারি সেবার দুই ডজনের বেশি ওয়েবসাইট বিনা খরচায় ভিজিট করতে পারবেন। অবশ্য এতে ইন্টারনেট সংযোগ খরচ আলাদা। এখন শুধু রবির গ্রাহকেরা (যাঁদের রবির সিম আছে) এই অ্যাপটি ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছেন।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ইন্টারনেট ডট অর্গ হচ্ছে অলাভজনক একটি উদ্যোগ যাতে বিনা মূল্যে বেসিক ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারেন বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক।
এই সেবাটি স্মার্টফোনের অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। গুগল প্লে স্টোরে এই অ্যাপটি এখন পাওয়া যাচ্ছে।

যা করতে হবে
১. প্রথমে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। এ জন্য প্লে স্টোরে যান। এরপর অ্যাপটি মোবাইল ফোনে ইনস্টল করুন।

২. ইনস্টল করার পর এটি চালু করুন এবং ইন্টারনেট ডট অর্গে লগ ইন করুন। অ্যাকাউন্ট না থাকলে সাইন আপ করতে হবে।
৩. ইন্টারনেট ডট অর্গের হোমপেজে গেলে আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তালিকা দেখতে পাবেন। এসব ওয়েবসাইট দেখার সময় আপনার কোনো ডেটা চার্জ লাগবে না।

সূত্রঃ দেশ বিদেশে

ফেসবুক প্রোফাইল ছবি চুরি ঠেকানোর উপায়

bd672b661a20ffd6b74108a33bc69bde_itlivesupportbd.wordpress.com

আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া ছবিটির পূর্ণ সংস্করণ চাইলে যে কেউই দেখতে পারে আর তা ডাউনলোড করে যে কোনো বাজে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে। সম্প্রতি প্রোফাইল ছবি সুরক্ষার কৌশল জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আপনি যতই আঁটসাঁট তালা দিয়ে ফেসবুক সুরক্ষিত করেন না কেন আপনি আপনার প্রোফাইলের ছবি ও কভার ছবিটি প্রাইভেট বা শুধু নিজের দেখার জন্য নির্ধারণ করে দিতে পারবেন না। ফেসবুকের এই নীতি করার কারণ যাই হোক না কেন ধারণা করা হয়, এর আসল কারণ হচ্ছে আপনার এই ছবি আপনাকে চেনার জন্য বা আপনার আসল অ্যাকাউন্ট কি না তা বুঝতে সাহায্য করে।
সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে এখন অংশ হয়ে গেছে প্রোফাইল ছবি। কিন্তু প্রাইভেসি বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার সুরক্ষার কথা ভেবে আপনার প্রোফাইলের ছবিটিকে আপনি ‘আনক্লিকেবল’ করে দিতে পারেন। এতে ছবিতে ক্লিক করে মূল ছবি পাওয়া যাবে না। এতে আপনার বন্ধুও ছবিতে ক্লিক করে পূর্ণ সংস্করণের ছবি দেখতে পাবে না।
খারাপ খবর হচ্ছে, অনেকের অগোচরেই ফেসবুক সম্প্রতি তাদের প্রাইভেসি সেটিংসে কিছু পরিবর্তন এনেছে। এতে মূল প্রোফাইল ছবিটি যে কারও জন্য সর্বদাই ক্লিক করার সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বন্ধু ছাড়াও অপরিচিত অনেকেই খুব সহজেই প্রোফাইলের ছবিটি দেখতে পাবে। এর আগে বন্ধু নন এমন অপরিচিতরা কেবল ১৬০ বাই ১৬০ পিক্সেলে প্রোফাইল ছবি দেখার সুযোগ পেত যাতে ছবির মানুষটি পরিচিত কি না তা বোঝা যেত। কিন্তু ওই মাপের ছবি দিয়ে বাজে কোনো উদ্দেশ্যে কাজে লাগানো সুবিধা ছিল কম। কিন্তু এখন ফেসবুক সম্পূর্ণ ছবি দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। তবে ফেসবুক কিছু প্রাইভেসি বিষয়ক পূর্ব সতর্কতার সুবিধাও রেখেছে। যেমন ছবি যদি ‘অনলি মি’ করে রাখা যায় তবে অপরিচিত কেউ কেবল ওই প্রোফাইলের ছবিটি দেখতে পাবে কিন্তু ছবির সঙ্গে থাকা লাইক, মন্তব্য বা ছবি সংশ্লিষ্ট তথ্য দেখতে পাবে না। আপনি যদি আপনার প্রোফাইল ছবিটি প্রাইভেট করে রাখতে চান তবে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।

ee724d7602df14bc0a9ec36eda611627-facebook-2_itlivesupportbd.wordpress.com
ধাপ ১: প্রোফাইল ছবিটি পরিবর্তন করুন
ফেসবুক সম্প্রতি প্রাইভেসি পূর্বসতর্কতার টুল হিসেবে হালনাগাদ একটি ক্রপিং টুল যুক্ত করেছে। আগে সাইটের ক্রপিং টুলটি আপনার প্রোফাইল ছবিটিকে আসলে ক্রপ না করে শুধু ছবিটির ছোট সংস্করণের তৈরি করে দেখাতো। যখন থাম্বনেইল হিসেবে তাতে ক্লিক করা হয় তখন পুরো ছবিটি দেখা যেত। কিন্তু এখন ক্রপিং টুলটি আপনার ছোট ছবিটি ও বড় ছবি দুই ভাবেই ক্রপ করে। আপনি যদি ফেসবুকের পুরোনো টুল দিয়ে ক্রপ করা ছবি প্রোফাইল ছবি হিসেবে ব্যবহার করেন তবে ওই ছবিতে ক্লিক করলে আপনার পুরো ছবিটি দেখতে পাবে যে কেউ। এ ক্ষেত্রে সমাধান হচ্ছে আগের ছবিটি মুছে দিয়ে আবার নতুন করে আপলোড করা।

ধাপ ২: ছোট ছবি ব্যবহার করুন
আপনি যদি আপনার উচ্চ-রেজুলেশনের ছবি পুরো ইন্টারনেট জুড়ে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে চান, আপলোড করার আগে তা ক্রপ ও রিসাইজ করে দিতে পারেন। ফটোশপ বা মাইক্রোসফট পেইন্টের মতো ইমেজিং টুল ব্যবহার করে ছবি বর্গাকারে ক্রপ করুন এবং এটি ১৮০ বাই ১৮০ মাপে রিসাইজ করুন। প্রোফাইল ছবি হিসেবে এই ছোট মাপের ছবি দিলে অনলাইন দুর্বৃত্তরা তা কাজে লাগাতে পারবে না। আপনি যখন এই মাপের ছবি ফেসবুকে আপলোড করবেন তখন তা আপনার প্রোফাইল ছবির চেয়ে কিঞ্চিৎ বড় হবে। কিন্তু এতে ক্লিক করে অনলাইন দুর্বৃত্তদের হতাশ হতে হবে।

ধাপ ৩: ব্যক্তিগত প্রাইভেসি সেটিংস পরিবর্তন
ডিফল্ট হিসেবে আপনার আপলোড করা সব প্রোফাইল ছবি কিন্তু পাবলিকের জন্য উন্মুক্ত। অর্থাৎ, আপনি যদি বর্তমান প্রোফাইল ছবিটি পরিবর্তন করেন তাতে লাভের লাভ কিছু হবে না। আপনার পুরোনো প্রোফাইল ছবিগুলো দুর্বৃত্তরা হাতিয়ে নিতে পারে। প্রোফাইলের ছবিগুলো পরিবর্তন করতে প্রতিটি ছবিতে আলাদা আলাদাভাবে গিয়ে এডিটে যেতে হবে। প্রাইভেসি বাটনে ক্লিক করে কে এই ছবি দেখতে পাবে সেটা ‘অনলি মি’ নির্ধারণ করে দিতে হবে।

সূত্রঃ দেশ বিদেশে

ইউটিউবে ভিডিও দেখুন আরও সহজে

1e4b0c5e6c47db61f2eee42409aad297_itlivesupportbd.wordpress.com
ইন্টারনেটে ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে যে ওয়েবসাইটের নামটি প্রথমেই আসে, সেটি হল ইউটিউব। অন্যান্য ওয়েবসাইটের মত ইউটিউবেও আছে বেশকিছু শর্টকাট। আর এর মাধ্যমে একটি ভিডিও দেখা কিংবা ভিডিও দেখার সময় আনুষঙ্গিক কিছু কাজ আরও দ্রুত করা সম্ভব।

শর্টকাট :

J: ভিডিও দেখার সময় এই বাটন চাপলে ১০ সেকেন্ড পেছন থেকে আবার দেখা যাবে
K: ভিডিও প্লে কিংবা পজ করার জন্য রয়েছে এই বাটনটি
L: ভিডিও ১০ সেকেন্ড ফরওয়ার্ড করা যায় এই বাটনটি চেপে
M: মিউট করার জন্য আছে M বাটন

 

এছাড়া আরও কিছু শর্টকাট আছে যা কেবল ভিডিও প্লেয়ারের উপর ক্লিক করার পর কার্যকর হয়।

লেফট/ রাইট অ্যারো: ভিডিও ৫ সেকেন্ড ফরওয়ার্ড হবে এই বাটন চাপলে
আপ/ডাউন অ্যারো: ভলিউম কমানো কিংবা বাড়ানো যাবে এই দুটি কী ব্যবহার করে
1 থেকে 9 কী: ভিডিওর ১০% থেকে ৯০% পর্যন্ত স্কিপ করা যাবে এসকল বাটন প্রেস করে
Home: এই বাটন চাপলে ভিডিও একেবারে প্রথম থেকে শুরু হবে
End: এই বাটন প্রেস করলে ভিডিও একেবারে শেষের দিকে চলে যাবে
F: পুরো ডিসপ্লে জুড়ে ভিডিও দেখতে চাইলে প্রেস করুন এই বাটনটি
Esc: ফুলস্ক্রিন মোড বন্ধ করতে রয়েছে এই বাটন

ফেসবুকে ভুয়া আইডি চেনার উপায়

35aa8c36fd7e7f63b96e2abfc3c39532ঃitlivesupportbd.wordpress.comসামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ‘ফেসবুকে’ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা হয়ে থাকে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘ভুয়া আইডি’র বিড়ম্বনা। অনেকেই এই ধরনের ভুয়া আইডি খুলে বিভিন্নজনের সাথে প্রতারণা করে থাকে। প্রেম-ভালোবাসা, টাকা-পয়সার লেনদেন থেকে শুরু করে কত ধরনের প্রতারণা যে এইসব ভুয়া আইডির মাধ্যমে করা হয় তার কোনো শেষ নেই। এই ভুয়া আইডির ভুক্তভোগীর সংখ্যা কিন্তু কম নয়। এইসব ভুয়া আইডি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেকের জীবনে নেমে এসেছে বিপর্যয়। খুব সহজেই আমরা ফেসবুকের ভুয়া আইডি সনাক্ত করতে পারি। আসুন সে বিষয়ে জেনে নিই।

প্রোফাইল পিকচার
ফেসবুকের ভুয়া প্রোফাইল সনাক্ত করার একটি কার্যকরী উপায় হলো প্রোফাইল পিকচার গুলো ভালো ভাবে দেখা। অধিকাংশ ফেক প্রোফাইলের ছবিতেই খুব সুন্দরী নারী অথবা হ্যান্ডসাম পুরুষের ছবি দেয়া থাকে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেই ছবির মান খুবই খারাপ থাকে। খুব বেশি প্রোফাইল ফটোও থাকে না এই ধরনের প্রোফাইলে। হাতে গোনা ১০/১২টা ছবির বেশি থাকে না প্রোফাইল পিকচার এ্যালবামে। এক্ষেত্রে ছবিটি গুগল ইমেজে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন ছবিটি আরো কোথাও পাওয়া যায় কিনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই গুগল ইমেজে সার্চ দিলে দেখা যায় পাকিস্থানি কিংবা তামিল নায়ক নায়িকাদের ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বানানো হয়েছে।

ছবির এ্যালবাম
ফেসবুকের নকল প্রোফাইলে ছবির এ্যালবাম থাকে না সাধারণত। একটি আসল প্রোফাইলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে ছবির এ্যালবাম থাকে যেগুলো নকল প্রোফাইলের ক্ষেত্রে থাকে না। এ্যালবাম থাকলেও নিজের ছবির বদলে ফুল, পাখি, প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি দিয়ে এ্যালবাম বানিয়ে রাখে ফেক প্রোফাইলধারীরা।

বন্ধুদের সাথে কমেন্ট আদান প্রদান
আসল ফেসবুক প্রোফাইলে স্বাভাবিক ভাবেই স্ট্যাটাস ও ছবিতে বন্ধুদের সাথে প্রচুর কমেন্ট আদান প্রদান করা হয়। কিন্তু নকল ফেসবুক প্রোফাইলে এধরনের কমেন্টের আদান প্রদান ও কথোপকথন থাকে না। নকল প্রোফাইলের ছবির নিচে কিংবা স্ট্যাটাসে কমেন্ট থাকলেও তা শুধু প্রশংসা বাক্যই থাকে। অন্য কোনো ধরনের বাক্যালাপ করা যায় না নকল প্রোফাইলে।

ফ্রেন্ড লিস্ট
ফেসবুকের ভুয়া প্রোফাইল সনাক্ত করতে চাইতে ফ্রেন্ড লিস্ট দেখুন। ফ্রেন্ড লিস্টে যদি অধিকাংশ মানুষই বিপরীত লিঙ্গের হয় তাহলে বুঝে নিন সেটা ফেক প্রোফাইল। কারণ একটি আসল প্রোফাইলে নিজের লিঙ্গ এবং বিপরীত লিঙ্গের বন্ধু মধ্যে একটি সামঞ্জস্য থাকে।

বেসিক ইনফো
নকল প্রোফাইলে অধিকাংশ সময়েই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও চাকরীর তথ্য পাওয়া যায় না। মাঝে মাঝে এমন সব স্কুল কলেজের নাম দেয়া থাকে যেগুলোর কোনো অস্তিত্বই নেই। আবার অনেক সময় অনেক ভালো স্কুল কলেজের নাম দেয়া থাকে কিন্তু কোনো ব্যাচমেটকে ট্যাগ করা থাকে না সেখানে। এমনকি কোন ব্যাচ ছিলো সেটাও লেখা থাকে না সেখানে।

সূত্রঃ দেশ বিদেশে